প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ায় দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ভেতরে সফর করছেন বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য দেন।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পর বৈদেশিক কর্মসংস্থানের দ্বিতীয় বৃহৎ গন্তব্য হচ্ছে মালয়েশিয়া। দেশটিতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মীদের অধিকার- সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক বোঝাপড়া আরো জোরদার করাই প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম লক্ষ্য।
দেশটিতে অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধ করার বিষয়ে সম্ভবত এ সফরে একটি অনুরোধ থাকতে পারে। পাশাপাশি শ্রমিক পাঠাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার সরকারের সঙ্গে আলোচনা হবে বলেও জানান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চলা সংকট, আঞ্চলিক অস্থিরতা, নতুন ভিসা বিধিনিষেধ এবং শ্রমবাজারে পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ওপর। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে শ্রমিক নিয়োগের গতি প্রাক্কালে তুলনায় কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প ও স্থিতিশীল শ্রমবাজারের খোঁজে হওয়া অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক কর্মসংস্থানের গন্তব্য হচ্ছে মালয়েশিয়া। দেশটিতে বর্তমানে কয়েক লাখ বাংলাদেশি কর্মী বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন। প্রতিবছর তারা পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এমন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরের গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে নির্বাচন করা কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের তাৎপর্য শুধুমাত্র শ্রমবাজারে সীমাবদ্ধ নয়। ভারত ও চীনের মতো আঞ্চলিক শক্তিধর দেশগুলোর প্রভাব-প্রতিযোগিতার মধ্যে মালয়েশিয়াকে প্রথম গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া বিএনপি সরকারের ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী কূটনীতির একটি বার্তা।
তাহলে অর্থনীতি, শ্রমবাজার ও আঞ্চলিক কূটনীতির সমীকরণে, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর হচ্ছে শুধুমাত্র একটি দ্বিপাক্ষিক সফর নয়, বরং বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের এ এক প্রতিফলন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন