প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘হত্যার তালিকায়’ তিনি শীর্ষে রয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, "গতকাল আরেকটি তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে হত্যার তালিকায় আমি ১ নম্বরে। যদিও টিকটকে এক নম্বরে থাকতে আমার বেশি ভালো লাগে।"
এ মন্তব্য করেন তিনি তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে। ট্রাম্প জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি কাতারের উপহার দেওয়া বোয়িং উড়োজাহাজে দেশে ফিরবেন না। বরং, তিনি আগের একটি উড়োজাহাজে ফিরবেন, যা আগে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহৃত হত।
জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার স্থাপনা ও নৌযানে হামলা চালায়।
বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, তেহরান বারবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করছে এবং এ নিয়ে তিনি "মোটেও সন্তুষ্ট নন"। তার দাবি, ইরান জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তিনি দেশটিকে গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে "মধ্যপ্রাচ্যের দাদাগিরি করা রাষ্ট্র" বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, "আমি মনে করি না, ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি টিকবে।" মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক হামলা চালাবে। তার দাবি, মার্কিন বাহিনী এক রাতেই ইরানের ২৮টি নৌযান ধ্বংস করেছে এবং প্রয়োজনে আরও নৌযান লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
ট্রাম্পের ভাষ্য, "ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক বোমা থাকত, তবে তারা সেটি ব্যবহার করত।" কূটনৈতিক সমঝোতা না হলেও, তিনি নিশ্চিত করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে দেবে না।
এছাড়া ট্রাম্প বলেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে, যদিও তিনি আশা করেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে এবং ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় অবরোধও আরোপ করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন