প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবরের মধ্যে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য রেথিয়নের সঙ্গে ২২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের (২ হাজার ২৯০ কোটি ডলার) একটি চুক্তি করেছে পেন্টাগন। এই সাত বছর মেয়াদী চুক্তির আওতায় টমাহক উৎপাদন ১ হাজারের বেশি ক্ষেপণাস্ত্রে বারানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
ইরানে যুদ্ধের শুরুর প্রথম দিন মার্কিন বাহিনী একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, তাতে ১৭০ জন শিক্ষার্থী মারা যায়।
সোমবার মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও জানিয়েছেন, এই চুক্তিটি বর্তমান অভিযানিক চাহিদা মেটাতে ‘অভূতপূর্ব গতিতে’ সরবরাহকে ত্বরান্বিত করবে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরান যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করেছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) এক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানা গেছে, সংঘাত শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী মজুতও প্রায় অর্ধেক বা তার বেশি কমে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ক উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার খবর অস্বীকার করেছেন।
টমাহক হলো যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অন্যতম প্রধান দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যা মূলত যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
নতুন এই বিশাল চুক্তিটি এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র শুধু তাৎক্ষণিক অস্ত্রের চাহিদা পূরণ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর দিকেও জোর দিচ্ছে।
ইরানের স্কুলে আমেরিকা-ইসরাইলের হামলায় মৃত শিক্ষার্থীদের গণকবরের ছবি প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এক হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এই হামলায় শিক্ষার্থীসহ ১৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই শিশু। প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিও বিশ্লেষণে নিশ্চিত হয়েছে যে, হামলাটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিশানাগত ভুলের ফল ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন