প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিনি মাত্র তিন বছর বয়সে সিংহাসনে বসেছিলেন। তখন থেকেই তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ রাজা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। উগান্ডার তোরো রাজ্যের রাজা ওয়ো নাইম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থ ছিলেন তিনি। ১৯৯৫ সালে তাঁর মাথায় রাজমুকুট উঠেছিল। রাজকীয় জীবন শুরু হয়েছিল শৈশবেই। তিনি ৩১ বছর ধরে রাজত্ব করেছেন। কিন্তু তাঁর জীবন থেমে গেছে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়।
তোরো রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ক্যালভিন আর্মস্ট্রং রোওমিরে আকিকি বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় রাজার মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ‘গভীর দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি তোরোর মহামান্য ওমুকামা, রাজা ওয়ো নাইম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করছি।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, রাজা স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে মারা যান। তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির সরকারের মন্ত্রী বালাম বারুগাহারা জানিয়েছিলেন, রাজা ওয়ো যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।
রাজা ওয়ো নাইম্বা ছিলেন তোরো রাজ্যের শাসক। উগান্ডার পশ্চিমাঞ্চলে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই রাজ্যটি দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী রাজতন্ত্র।
বর্তমানে উগান্ডা একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের হাতে রয়েছে। তবে দেশে কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী রাজতন্ত্র এখনো টিকে আছে। এসব রাজপরিবারের রাজনৈতিক ক্ষমতা মূলত প্রতীকী হলেও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তাদের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
রাজা ওয়োর বাবা রুকিরাবাসাইজা প্যাট্রিক ডেভিড ম্যাথিউ কাবোয়ো ওলিমি তৃতীয় মারা যাওয়ার পর ১৯৯৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে বসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ক্ষমতাসীন রাজা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সূত্র: রয়টার্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন