প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগামী সেপ্টেম্বরেই দেশে ফিরে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আশ্চর্য ইনোভেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্ণব ওয়ারেস খান। তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে পারে।
রোববার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার পরিবর্তে আইনের শাসন, সহনশীলতা এবং জাতীয় ঐক্যের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা জরুরি। এ লক্ষ্যে দেশের সব রাজনৈতিক শক্তির সাংবিধানিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রাখা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অর্ণব ওয়ারেস খান বলেন, সেপ্টেম্বর মাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ২৮ সেপ্টেম্বরকে একটি প্রতীকী দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ওই দিনে তাঁর বড় চাচা কমরেড মঞ্জুরুল আহসান খান, শেখ হাসিনা এবং কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের জন্মদিন হওয়ায় দিনটি তাঁর কাছে বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
তিনি তাঁর দাদি বদরুন্নেসা খানমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান ও ব্যক্তিগত সৌহার্দ্যের কথাও স্মরণ করেন।
বর্তমান সামাজিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারিবারিক বন্ধন, ছোটদের প্রতি স্নেহ, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সহমর্মিতা এবং এশীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি মানবিক, সুস্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনে এসব মূল্যবোধের বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব সমমর্যাদা, পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ভিত্তিতে আরও সুদৃঢ় হওয়া উচিত। দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা ও আঞ্চলিক শান্তির স্বার্থে তিনি একটি ‘আমরণ মৈত্রী চুক্তি’র ধারণাও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এ সম্পর্কের ভিত্তি হবে সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংকটকালে সহযোগিতা এবং যৌথ উন্নয়নের অঙ্গীকার।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির শেষাংশে অর্ণব ওয়ারেস খান বিভাজন, বিদ্বেষ ও সহিংসতার রাজনীতি পরিহার করে আইনের শাসন, গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য এবং জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “রাজনীতি হোক খেলাধুলার মতো সৌহার্দ্যপূর্ণ। রাজনীতি হোক ঈদ, পূজা, বড়দিনসহ সব ধর্মীয় উৎসবের মতো সম্প্রীতির। রাজনীতি হোক ভালোবাসা, পারিবারিক বন্ধন ও মানবিকতার প্রতীক। যেভাবে আমরা নিজেদের ঘর-আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখি, ঠিক সেভাবেই দেশ ও রাজনীতিকেও পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের দায়িত্ব। দেশটা আমাদের সবার। রাজনীতি হোক বাঙালির উদার, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতীয় ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন