মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৩:২০ পি.এম
সরকারি হাসপাতালে চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রমাণ মেলায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) ডা. মো. নাদিম সরকারের বিরুদ্ধে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা থাকায় এই মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। তিনি এর আগে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় মামলা করেছে। জানা যায়, সরকারি চাকুরি করলেও ডা. নাদিম সরকার দীর্ঘদিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের উল্টো দিকে রাস্তার ওপারেই গড়ে উঠা ম্যাক্স হাসপাতালে মালিকানা রয়েছে। এনিয়ে সম্প্রতি আরও কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। ডা. নাদিম সরকারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন।
এনিয়ে গত ১৬ আগস্ট এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপনে তাকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা উপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) ডা. মো. নাদিম সরকার বলেন, ম্যাক্স হাসপাতালে মালিকানায় শেয়ার থাকা সকল চিকিৎসকের বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছিল৷ আমিই শুধু বাদ ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে হওয়া বিভাগীয় মামলার বিষয়ে লিখিত জবাব দিয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে চলতি আমন মৌসুমে সারের মজুদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও কৃষক পর্যায়ে নির্ধারিত দামে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। মাঠপর্যায়ে সরকারি গোডাউন এবং খুচরা ডিলারদের দোকান নিয়মিত তদারকি করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক কাজ করছে কৃষি বিভাগ। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই নির্ধারিত মূল্যে সার নিশ্চিত করতে বিসিআইসি ডিলারদের গোডাউন ও খুচরা সারের দোকান পরিদর্শনের পাশাপাশি সারের মজুদ, বিক্রয় রেজিস্টার ও মূল্যতালিকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
উপজেলার জয়কুল গ্রামের কৃষক মোঃ শাহিন জানান, তিনি স্থানীয় দোকান থেকে সরকারি নির্ধারিত দামেই রাসায়নিক সার কিনতে পেরেছেন এবং এতে তিনি সন্তুষ্ট।
বিসিআইসি ডিলার মেসার্স এফ রহমান অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং খুচরা বিক্রেতা মোঃ রফিক বলেন, কৃষি অফিসার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত গোডাউন ও দোকান পরিদর্শন করে রেজিস্টার খাতা পর্যবেক্ষণসহ প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার জানান, উপজেলার প্রায় সকল আবাদযোগ্য জমি আমন চাষের আওতায় আনা হয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, “সারের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কাউখালীতে সারের কোনো ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ধারাবাহিক তদারকির অংশ হিসেবে রবিবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগের এ ধরনের প্রশাসনিক তৎপরতায় চলতি আমন মৌসুমে সারের ভোগান্তি দূর হবে এবং ন্যায্যমূল্যে সার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইনে ইতিহাস গড়ার পর বাংলাদেশ সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন দল ম্যাকাই টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হার দেখল। যেখানে ডারউইনে টাইগাররা প্রতিটি সেশন মিলিয়ে শক্তিশালী প্রতিভা দেখিয়েছিল, সেখানে ম্যাকাইতে তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেনি। দুই ইনিংসেই তারা অলআউট হয়েছে অল্প সংখ্যক রানে, যা একজন ক্রিকেটপ্রেমীর নজরে মুদ্রার একদম এপিঠ আর ওপিঠের মতো মনে হচ্ছে।
ক্রীড়া প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে এই ম্যাচের দিকে লক্ষ্য রেখে বলা হয়, বাংলাদেশ এবারের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দুটি দিনের মধ্যে ম্যাচ হারল। এই লজ্জাজনক হারের পর স্বাভাবিকভাবেই টাইগার অধিনায়ক নাজমুল শান্ত কিছুটা হতাশা অনুভব করছেন। তবে তিনি সিরিজের শিক্ষাকে মূল্যায়ন করছেন এবং দলগত পারফরম্যান্সের পক্ষেও আশাবাদী। ডারউইনে পাওয়া বীরত্বের কারণে তিনি আনন্দিতও।
দ্বিতীয় টেস্টে দলের ব্যাটিং সমস্যার প্রতি ইঙ্গিত করে শান্ত বলেন, ‘হতাশাজনক ব্যাটিং ছিল। তবে এখানে টস একটি বড় বিষয় ছিল। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করা খুবই কঠিন ছিল, তিন ইনিংসে ব্যাট করাও কঠিন ছিল। কিন্তু আমি কোনো অজুহাত দিতে চাই না। আমাদের ব্যাটিং যথেষ্ট খারাপ ছিল এবং তারা দারুণ বোলিং করেছে। আমাদের প্রযুক্তিগত দিক থেকে আরও উন্নতি করতে হবে।’
অধিনায়ক নিজ দলকে সমর্থন করে বলেন যে পরিস্থিতি অনুযায়ী টাইগাররা খুব একটা খারাপ করেনি। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা ২৩ বছর পরে এখানে এসেছি। এত বছর পর এমন কঠিন কন্ডিশনে এই বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে খেলা সহজ নয়। যদি আমরা নিয়মিত সিরিজে হাজির হতে পারতাম, তবে ক্রিকেটাররা মানিয়ে নিয়ে আরও বেশি ভালো খেলার সুযোগ পেতো। ৯০% প্লেয়ার এখানে আগে খেলেনি। তাই তারা জানেন না কিভাবে সামলে নিতে হয়। আমরা নিয়মিতভাবে এমন কন্ডিশনে খেলতে চাই, প্রতি ২৩ বছর বা ২৫ বছর পর নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন প্রথমবার নয় যে ২ দিনে খেলা শেষ হয়েছে। এই জায়গায় বহুবারই ২ বা ৩ দিনে ম্যাচ শেষ হয়েছে। এটা হতেই পারে। দল হিসেবে আমাদের ধারাবাহিক হতে হবে যদি আমরা আগাতে চাই। ব্যাটিংয়ে আমাদের সঠিকভাবে উন্নতি করতে হবে কারণ বোলারেরা ভালো করছে। আমরা শিখতে হবে কিভাবে ভালো ক্রিকেট খেলা যায়। এমন অভিজ্ঞতা আগেও আমাদের হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা সামনে এগিয়ে যেতে আমাদের সহযোগিতা করবে।’
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘পেস এবং বাউন্স আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। এর ফলে আমাদের উন্নতি অবশ্যই হবে। তাদের দুর্দান্ত মানসম্পন্ন একটি বোলিং আক্রমণ ছিল। আমি উন্নতির চেষ্টা করবো। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপে এই অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগবে।’
সিরিজে জয়ী হতে না পারলেও, দলের সতীর্থদের প্রচেষ্টা এবং পেসারদের উন্নতিতে তিনি বেশ সন্তুষ্ট। শান্ত জানান যে দল হিসেবেও তারা বেশ ছন্দে আছেন, ‘আমি অনেক খুশি। পেস বোলিং আক্রমণে আমরা গত কয়েক বছরে ভালো অগ্রগতি করেছি। বাংলাদেশের পেসাররা আগের তুলনায় অনেক উন্নতি করেছে তারা দারুণ পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে। হাসান, শরিফুল ও তাসকিন যেভাবে বোলিং করেছে, সেইভাবে, আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তারা এখানে এবং বাংলাদেশেও অনেক ভালো করেছে। তারা যথাযথভাবে তাদের কাজগুলো করছে এবং নিজেদের ছন্দে আছে। অধিনায়ক হিসেবে আমি তাদের নিয়ে অনেক খুশি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা প্রায় ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুই চোরাচালানকারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। আটককরণের সময় তাদের কাছে স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি চারটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, সৌদি রিয়াল ও তিনটি সৌদি আরবের এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়।
রবিবার দুপুরে কোস্ট গার্ড কক্সবাজারের অপারেশন অফিসার লে. কমান্ডার আরাফাত হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর সংলগ্ন নতুন ফিশারি ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বিসিজি স্টেশন কক্সবাজারের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
কোস্ট গার্ড জানায়, তারা গোয়েন্দা তথ্যে জানতে পারে যে, একটি অসাধু চক্র শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণের একটি চালান দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে আসছে। এর ভিত্তিতে নতুন ফিশারি ঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অপারেশন অফিসার জানান, অভিযানের সময় সন্দেহজনক একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেওয়া হলে আরোহীরা গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে মোটরসাইকেলসহ দুইজনকে আটক করে।
অতঃপর, তাদের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে তল্লাশি চালালে প্রায় ৭৫ লাখ টাকার মূল্যবান ৩১ ভরি স্বর্ণালংকার, চারটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫ হাজার ৭৪২ টাকা, ১০ সৌদি রিয়াল এবং সৌদি আরবের তিনটি এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ড আরও জানায়, আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে স্বর্ণের চালানটি দুবাই থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তারা আগে একাধিকবার স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
জব্দকৃত আলামত ও আটক দুইজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছায় শ্রেণিকক্ষে ফ্যান খুলে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে আফিয়া ইভনাত আলভী (৬) নামে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রী।
এ ঘটনা ঘটেছে গত রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে, সকাল ১১টার দিকে, উপজেলার ৪৭ নম্বর হাউলী প্রতাপকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
আহত আফিয়া ইভনাত আলভী প্রতাপকাটি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস খানের কন্যা। তিনি ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।
বিদ্যালয় ও আহত ছাত্রীর পরিবার সূত্র থেকে জানা যায়, রোববার সকাল থেকে বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছিল যথারীতি। এ সময় শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি চালু করা ছিল। হঠাৎ করে ফ্যানটির নাট খুলে সেটি নিচে পড়ে যায়। প্রথমে ফ্যানটি শ্রেণিকক্ষের একটি টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল আফিয়ার নাক ও মুখের ওপর আঘাত করে।
এর ফলে তার নাক ও মুখ কেটে গিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে কপিলমুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও সেলাই দেন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিনাকী সাধু বলেন, নতুন ভবনের শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি লাগানো ছিল। ফ্যানের নাট খুলে যাওয়ার কারণে সেটি প্রথমে টেবিলের ওপর পড়ে যায়। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল ওই ছাত্রীর নাকে লাগে এবং এতে সে আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো রয়েছে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ অন্যান্য সরঞ্জামের নিরাপত্তার বিষয়টি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ব্যবহৃত ফ্যান, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়মিত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ