প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদারীপুরের কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পুকুরপাড় থেকে সরকারি নিয়ম না মেনে পাঁচটি মূল্যবান গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. হান্নান দাড়িয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও গাছ কাটার দায় নিয়ে অধ্যক্ষ ও পুকুরের ইজারাদার সুরাত আলী সিকদার পরস্পরকে দায়ী করছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে কলেজ প্রাঙ্গণে গিয়ে পুকুরপাড়ে কেটে রাখা গাছের গুঁড়ি ও ডালপালা দেখা যায়। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি পুকুরপাড়ের চারটি বড় মেহগনী ও একটি চাম্বুল গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
গাছ কাটার বিষয়ে পুকুরের ইজারাদার সুরাত আলী সিকদার বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নির্দেশেই তিনি গাছগুলো কেটেছেন। তাঁর দাবি, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া কলেজের গাছ কাটার কোনো সুযোগ তাঁর নেই।
তবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. হান্নান দাড়িয়া গাছ কাটার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করলেও পাঁচটি গাছ কাটার দায় নিতে রাজি নন। তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মৌখিক নির্দেশনা নিয়ে তিনি ইজারাদারকে একটি নির্দিষ্ট গাছ কাটতে বলেছিলেন। কিন্তু তাঁর অজান্তে কীভাবে আরও চারটি গাছ কাটা হলো, তা তিনি জানেন না।
এদিকে, কলেজের মতো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি সম্পদ কাটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাশ বলেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি গাছ কাটার ক্ষেত্রে শুধু মৌখিক নির্দেশনার ভিত্তিতে একাধিক গাছ কাটার সুযোগ নেই। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন