প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) পুনরায় বন্ধ হয়ে গেছে, প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর চালু হওয়ার মাত্র দুদিন পর। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে কারিগরি সমস্যার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) উত্তম চৌধুরী এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "কারিগরি সমস্যার কারণে ভোর চারটার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। আগামী রবিবার অথবা সোমবারের দিকে কারখানাটি পুনরায় চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।"
গত মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে সিইউএফএলে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়েছিল। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর কারখানাটি উৎপাদনে ফিরে আসে। প্রথমে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্ট চালু করা হয় এবং পরে ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্টে উৎপাদন শুরু হয়।
তবে উৎপাদন শুরুর ৪৬ ঘণ্টার মধ্যে আবারও কারিগরি সমস্যার কারণে কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়।সিইউএফএল সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৪ মার্চ গ্যাস-সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর ২৫ আগস্ট কারখানাটিতে ফের গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। তবে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর যন্ত্রপাতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কারিগরি প্রস্তুতির কারণে তাৎক্ষণিক উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়নি।
প্রস্তুতি শেষে ১৫ সেপ্টেম্বর উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু উৎপাদন শুরুর পর কিছু কারিগরি জটিলতা দেখা দেয়। কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, সেগুলো সমাধান করে উৎপাদনে ফেরা সম্ভব হবে। কিন্তু এর মধ্যেই নতুন করে কারিগরি সমস্যায় উৎপাদন আবার বন্ধ হয়ে গেল।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে কারখানাটির যন্ত্রপাতির ওপর এর প্রভাব পড়ে। ফলে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পরও উৎপাদনে ফিরতে সময় লাগে।
সিইউএফএলে দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ২০০ টন। গ্যাস-সংকট ও কারিগরি ত্রুটির কারণে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে কারখানাটির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন