প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের কালীগঞ্জে, চিহ্নিত এক মাদক কারবারিকে আটক করার পর থানায় ফেরার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি (কাভার্ডভ্যান) চাপায় পুলিশের এক এসআই এবং স্থানীয় এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—কালীগঞ্জ থানার এসআই মিজানুর রহমান (৩০) এবং তুমুলিয়া এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪৫)। আহতদের মধ্যে এসআই জাবেদ ওমর (২৮) এবং গাড়িচালক রাব্বি (২৮) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে জাবেদ বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুমুলিয়া এলাকায় মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি আহিদ মিয়াকে (৪৫) আটক করার জন্য শুক্রবার রাত পৌনে তিনটার দিকে এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য অভিযান পরিচালনা করেন। পরে তাকে বাড়ি থেকে আটক করা হয়। থানায় ফেরার পথে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে গাড়ি থামিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন পুলিশ সদস্য মিজানুর রহমান, জাবেদ ওমর এবং রাব্বি। হঠাৎ করে ঘোড়াশালমুখী একটি অজ্ঞাত গাড়ি (কাভার্ডভ্যান) তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়।
এ সময় অন্য পুলিশ সদস্যরা আহত চারজনকে উদ্ধার করে রাত তিনটা ৫০ মিনিটে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে রফিকুল ইসলাম মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর গুরুতর আহত মিজানুর রহমান এবং জাবেদ ওমরকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মিজানুর রহমান এবং জাবেদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল ছয়টা ৪৭ মিনিটে চিকিৎসকেরা মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
[[
কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। জাবেদ ওমর গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাব্বি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। চাপা দেওয়া গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন