০৯:১৮ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মাদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ (এআরটি) চুক্তির বিষয়ে জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
তিনি উল্লেখ করেছেন, এই চুক্তিটি দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ঠ করা, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের উত্তরে খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: রামপালে ফয়লাহাট আছিয়া মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
এ কে এম ফজলুল হক মিলন প্রশ্ন করেন, নতুন রপ্তানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে কি কূটনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে?
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলন আয়োজনের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
তিনি আরও জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত হয়েছে অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (এআরটি)। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।
উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি করে। ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে আমেরিকা থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করতে বাংলাদেশ বাধ্য হবে। চুক্তি অনুযায়ী, এটি কার্যকর করতে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ১৩১টি শর্ত মানতে হবে।
আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন