বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি বরিশাল-বাকেরগঞ্জ
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৯ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নাসির হাওলাদার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে প্রতিটি মণ্ডপে আনন্দ, উৎসাহ ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দুর্গাপূজার এই আনন্দঘন মুহূর্তে নাসির হাওলাদার হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।
কাউন্সিলর প্রার্থী নাসির হাওলাদার বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রেখে সবাইকে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে। সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় থাকলে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে বয়ে আনবে অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও কল্যাণ। উৎসবটি যেন নির্বিঘ্নে, আনন্দমুখর পরিবেশে এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হয়, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
পরিশেষে, তিনি বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ দেশ-বিদেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করেন
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি।।। বরিশাল-বাকেরগঞ্জ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নাসির হাওলাদার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে প্রতিটি মণ্ডপে আনন্দ, উৎসাহ ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দুর্গাপূজার এই আনন্দঘন মুহূর্তে নাসির হাওলাদার হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।
কাউন্সিলর প্রার্থী নাসির হাওলাদার বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রেখে সবাইকে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে। সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় থাকলে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে বয়ে আনবে অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও কল্যাণ। উৎসবটি যেন নির্বিঘ্নে, আনন্দমুখর পরিবেশে এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হয়, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
পরিশেষে, তিনি বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ দেশ-বিদেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মনোহরপুর নলুয়া পুকুরপাড় জামে মসজিদ মাঠে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব জিয়াউর রহমান জিয়া।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলা হবিরবাড়ী ইউনিয়নের মনোহরপুর নলুয়া পুকুরপাড় জামে মসজিদ মাঠে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য এবং ১০ নম্বর হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।
উঠান বৈঠকে স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।এ সময় তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক মতবিনিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের উঠান বৈঠক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব জিয়াউর রহমান জিয়ার উপস্থিতি বৈঠককে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উঠান বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ বসতঘরে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর পরই স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত সন্তানকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ছেলের নাম নুরু আলম (৪৫)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত বৃদ্ধার নাম রেজিয়া খাতুন (৭০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত হাসান উদ্দিনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে কাইয়ারগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামে রেজিয়া খাতুনের টিনের বসতঘরে পারিবারিক কলহের জের ধরে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ছেলে নুরু আলম ধারালো দা দিয়ে তার বৃদ্ধা মায়ের গলার পেছনে সজোরে কোপ মারে। এতে ঘটনাস্থলেই টিনের ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢলে পড়ে মারা যান রেজিয়া খাতুন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে আমাদের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির কোলন বন বিমানবন্দরে ৯০টির বেশি সাপ ও টিকটিকি পাচারের অভিযোগে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে কাস্টমস কর্মকর্তারা। আটককৃত প্রাণীগুলোর মধ্যে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ এবং ৫৫টি টিকটিকি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, আটক ব্যক্তির বয়স ৪৫ বছর এবং তিনি মেক্সিকোর একজন দমকলকর্মী। বিমানবন্দরের ‘ঘোষণা করার মতো কিছু নেই’ লেখা সবুজ সংকেতযুক্ত পথ ধরে যাওয়ার সময় তার উদ্বেগ প্রকাশ পায়। সন্দেহজনক মনে হলে কাস্টমস কর্মকর্তারা ওই যাত্রীর মাদক পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় কোকেনের উপস্থিতি ধরা পড়লেও পরে তার কাছ থেকে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি।
পরে ওই ব্যক্তির স্যুটকেস তল্লাশি করে শ্যাম্পু ও ক্রিমের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্র এবং মোজার ভেতরে লুকানো বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও টিকটিকি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সাপগুলোর মধ্যে ভাইপার ও র্যাটলস্নেক ছিল, পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির টিকটিকিও ছিল।
কোলন কাস্টমস বিভাগের মুখপাত্র ইয়েন্স আলান্ড জানান, ‘স্যুটকেসে আনা বিভিন্ন স্মৃতিসামগ্রী দেখতে বিমানবন্দরে আমার সহকর্মীরা অভ্যস্ত। কিন্তু মেক্সিকো থেকে ৩৭টি জীবিত বিষধর সাপ ও ৫৫টি টিকটিকি আনার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।’
তিনি আরও বলেন, প্রাণীগুলোর মধ্যে কয়েকটি অমানবিক পরিবেশে রাখা হয়েছিল এবং মেক্সিকো সিটি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে জার্মানিতে আনার পথে কিছু প্রাণী মারা যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি কর্মকর্তাদের জানান, ব্রাজিলের এক পরিচিত ব্যক্তির অনুরোধে তিনি প্রাণীগুলো নিয়ে এসেছিলেন, তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। পরে তাকে জার্মানিতে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে ইস্তাম্বুলে ফেরত পাঠানো হয়। বেঁচে থাকা প্রাণীগুলো বর্তমানে জার্মানির একটি সাপের খামারে রাখা হয়েছে, যেখানে সেগুলোর পরিচর্যা করা হচ্ছে।
ছয় বছর আগে একই বিমানবন্দরে মেক্সিকো থেকে খেলনা ও মিষ্টির প্যাকেটের মধ্যে লুকিয়ে পাঠানো ২৬টি বিরল সরীসৃপ উদ্ধার করেছিলেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। সেগুলোর মধ্যে ১০টি ছিল মৃত।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান মন্তব্য করেছেন যে, ‘আমার দৃষ্টিতে যেটা বুঝি, সেটা হচ্ছে—এই নতুন জালেম সরকার বা বিএনপি যদি তেলের দাম, গ্যাসের দাম, সিলিন্ডার, সার সংকট নিয়ে সিন্ডিকেট ও দলীয়করণের অপকর্মগুলো করতে থাকে এবং পাঁচ বছর বাংলাদেশকে শাসন করে, তবে আমরা দুর্ভিক্ষে মারা যাবো। আমরা দুর্ভিক্ষে মরার জন্য আসিনি।’
শুক্রবার বিকেলে নওগাঁ শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জেলা শাখা আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটি লাইন তিনি ধারণ করেন এবং বলেন, "ওরাও বলে, ওদের সঙ্গে সঙ্গে আমিও বলি। আমরা তো সেই শহীদী তামান্না নিয়ে এসেছি। আমাদের চোখ রাঙিয়ে লাভ নাই। বাংলার মাটি আর ভারতের অঙ্গরাজ্য হবে না। বাংলার মাটিতে আর কোনো নতুন স্বৈরতন্ত্রকে আমরা কায়েম হতে দেবো না।"
রাশেদ প্রধান বলেন, ‘আমার এই উত্তরবঙ্গ শুরু থেকেই অবহেলিত। রংপুর বিভাগ আর রাজশাহী বিভাগ—আমি তো রাজশাহী শহরটা ব্যতিরেকে রাজশাহী বিভাগ এবং পুরো রংপুর বিভাগে কোনো উন্নয়ন দেখতে পাই না। হাইওয়ের কিছু রাস্তা পাকা হলেই বলে দেওয়া যায় না যে ওই জেলা উন্নত হয়ে গেছে। আমি কোনো উন্নয়নের ছিটেফোঁটা দেখতে পাই না। এই উন্নতিটা তো আমাদের ঘটাতে হবে। আমরা এই অঞ্চলের মানুষ হিসেবে যেটা বলতে পারি, ওই সময়েও আমাদের বিবেককে জাগিয়ে তুলেছিল—এই উত্তরবঙ্গ থেকেই তো আবু সাঈদ। আমরা তো যুগে যুগেই প্রস্তুত আছি শহীদ হওয়ার জন্য, আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা নতুন করে নামার জন্য প্রস্তুত আছি, শহীদী তামান্না নিয়ে তৈরি আছি। জুলাইয়ের চেতনা রক্ষা করতে আবার নামতে হলে আমরা আবার নামবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি একটা জিনিস স্পষ্ট করতে চাই, এই যুদ্ধটা ১১ দলকে ক্ষমতায় নেওয়ার যুদ্ধ নয়। এই যুদ্ধটা জামায়াতকে ক্ষমতায় নেওয়ার যুদ্ধ নয়। এই যুদ্ধটা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধটাতে আমাদের জয়যুক্ত হতেই হবে। আমার সামনে ক্ষমতা কোনো ফ্যাক্টর না। ওপরে আল্লাহ আছেন, আল্লাহর কসম করে বলতেছি, আমি খালি মরার আগে এইটুকু দেখতে চাই—এই দেশটা পরিপূর্ণ স্বাধীন এবং সার্বভৌম। এই দেশের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ ভারতীয় আধিপত্য নাই, দেশবাসীর মধ্যে মানবিকতা আছে, ইনসাফ আছে। আমি এটা চাই, আমি ক্ষমতা চাই না। আমি সেই মানুষ।’
নব্য জালেমদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নাই। আমার বাসায় যখন হামলা করা হয়েছে, আমি তখনও ভয় পাই নাই। আমাকে ভয় দেখানো এত সহজ না। আমার মৃত্যু যেই সেকেন্ডে লেখা আছে, আমি সেই সেকেন্ডেই মৃত্যুবরণ করব। কেউ আমাকে রক্ষা করতে পারবে না। আর ওই সেকেন্ডের এক সেকেন্ড আগেও ভারতীয় চর কিংবা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কেউ আমাকে মারতে পারবে না, আমি এটা জানি। আর মরব তো একবারই।’
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন— নওগাঁ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আ স ম সায়েম, খেলাফত মজলিস নওগাঁর সভাপতি রেজাউর রহমান ও এবি পার্টি নওগাঁর আহ্বায়ক কাজী আতিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ