প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে ভারতবিরোধিতা করলেও গোপনে দেশটির সঙ্গে আঁতাত করছে।
তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্যটি করেন।
আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করলেও বর্তমানে জামায়াত বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ বা বৈঠক করাটাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখেন না।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠককে স্বাভাবিক কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ রয়েছে।
হানিফ বলেন, "কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রকাশ্যে ভারতবিরোধী বক্তব্য দিয়ে জনগণের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা, মানে উপর দিয়ে ভারতবিরোধিতা, তলে তলে ভারতের ‘র’-এর সঙ্গে বৈঠক করছে, এ কেমন দ্বৈতনীতি?"
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে যোগাযোগ থাকা স্বাভাবিক। তবে প্রকাশ্য বক্তব্য ও গোপন তৎপরতার মধ্যে এতটা বৈপরীত্য থাকলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে। জামায়াত যদি ভারতের সঙ্গে যোগাযোগকে স্বাভাবিক মনে করে, তাহলে প্রকাশ্যেও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত।
হানিফ মন্তব্য করেন, "লোক দেখানো ভারত বিরোধিতার নামে জামায়াত ভণ্ডামি করছে, অন্যদিকে আড়ালে আবার যোগাযোগ করছে, এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে জামায়াতে ইসলামীর সরে আসা উচিত।"
প্রসঙ্গত, গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বারিধারায় ভারতের উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুমসহ তিনজন গোপন বৈঠক করেছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে জামায়াত ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন