প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি সেপ্টেম্বর মাসে মধ্য মালিতে জঙ্গি হামলার ফলে ১০০ জনেরও বেশি সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর মালির ডিওরা শহরে এই ভয়াবহ হামলা সংঘটিত হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে দুটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের উল্লেখ করা হয়েছে যা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মালির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলার সময় আক্রান্ত সামরিক ক্যাম্প থেকে সেনাদের নিরাপদ স্থানে সফলভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ চালাতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে একটি বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে শত্রুদের বিভিন্ন ঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে।
আরো পড়ুন
ফুড ডেলিভারির ছদ্মবেশে সাবেক প্রেমিকা ও তার সঙ্গীকে হত্যা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
এর আগে সেভারে শহরের বিমানবন্দরে সংঘটিত আরেকটি হামলা মূলত আল-কায়েদার সাথে সম্পর্কিত জঙ্গি গোষ্ঠী ‘জেএনআইএম’-এর সাম্প্রতিক সহিংস কার্যক্রমের অংশ ছিল। ২০২০ এবং ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মালির ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান সেনা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই জঙ্গি গোষ্ঠী একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত এপ্রিল মাসে জেএনআইএম এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের নেতৃত্বাধীন বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ‘এফএলএ’ একযোগে দেশজুড়ে ভয়াবহ সিরিজ হামলা চালায়। ওই হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত হন এবং দেশের প্রধান বিমানবন্দরে ব্যাপক আঘাত হানা হয়। এই ঘটনাটি স্পষ্ট করে দেয় যে, ইসলামপন্থী উগ্রবাদী ও বিদ্রোহীদের দমনে মালির সরকারি বাহিনী এবং তাদের সহযোগী যোদ্ধারা মাঠে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না।
আরো পড়ুন
আফগানিস্তানে বিমান হামলায় ২৮ জঙ্গি হত্যার দাবি পাকিস্তানের
এদিকে, ১০ সেপ্টেম্বরের ডিওরা শহরের হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ১৩০ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনেরও বেশি সেনাকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে জঙ্গিরা। অন্যদিকে, একটি কূটনৈতিক সূত্রের মতে, সেখানে প্রায় ১২০ জন সেনা নিহত হয়েছেন; যা মালির সামরিক জান্তার জন্য একটি বড় ধাক্কা।
আরো পড়ুন
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে তিন গণমাধ্যম
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত শনিবার মালির সেনাবাহিনী একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে, হামলার পর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা তাদের পাল্টা অভিযানে কিছু বীর সেনা সদস্য দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। সেইসাথে, এই বিশেষ অভিযানে জঙ্গি গোষ্ঠীটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা সম্ভব হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন