প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রায়গঞ্জ উপজেলায় সিরাজগঞ্জের ঘুড়কা ও চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ড নিয়ে নতুন ‘ভূঞাগাতী ইউনিয়ন’ গঠনের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। স্থানীয় জনগণের মতামত যাচাই ও এ উদ্যোগের বাস্তবায়নের সম্ভাবনা সম্পর্কে আলোচনা করতে গণশুনানির আয়োজন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ভূঞাগাতী বাসস্ট্যান্ডে। এতে প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত থেকে প্রস্তাবিত ইউনিয়ন গঠনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাব অনুযায়ী ঘুড়কা ইউনিয়নের ১ থেকে ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে নতুন ইউনিয়ন গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয়দের মতামত সংগ্রহের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল খালেক পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল খালেক পাটোয়ারী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির, রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান এবং সলঙ্গা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান।
এছাড়া, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি মো. সামছুল ইসলাম খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রানা, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সামা সরকার, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান, ঘুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মণ্ডল, মো. দুলাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন ইউনিয়ন গঠিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে, তা নিয়ে গণশুনানিতে আলোচনা হয়। প্রস্তাবটির যৌক্তিকতা ও প্রশাসনিক প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় স্থানীয়দের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ইউনিয়ন গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্থানীয় জনগণের মতামতের পাশাপাশি প্রশাসনিক বাস্তবতা ও বিদ্যমান আইন-বিধি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
তবে গণশুনানির মাধ্যমে নতুন ইউনিয়ন গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে আশা করা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন