প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সারা দেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।
শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের একটি ব্লকে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ব্লকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ২ নম্বর ব্লকে গত ১৬ জুলাই থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত চলমান থাকবে। এ ব্লকে একযোগে ১৮টি পয়েন্টে ১৮ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন।
কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কৃষক পরিবারের গৃহকর্তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে কৃষকের নাম-ঠিকানা, জমির পরিমাণ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, চাষকৃত ফসল ও জমির পরিমাণ, সারের ব্যবহার, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, মোবাইল নম্বর ও মোবাইলের ধরন, সরকারি সুবিধা প্রাপ্তির তথ্য, বিকাশ বা নগদ হিসাব, স্ত্রী ও নমিনির তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, খামার, পেশা ও আয়ের উৎস, নার্সারি ও ফলবাগান, বীজের উৎস, বর্গা বা বন্ধকি জমির তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষিঋণ ও বীমাসহ মোট ২৩টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তথ্য সংগ্রহকারী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে একটি ব্লকে ১৮টি পয়েন্টে একযোগে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী জানান, সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রবর্তিত আছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ব্লকেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন