প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভোলার আদালতে একটি যৌতুক মামলার রায় শুনে সৌরভ রায় মিঠু বিচারকের উপস্থিতিতে আদালতের এজলাসে তরলজাতীয় পদার্থ পান করার মাধ্যমে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তারাভানু (৩৫) নামের এক মহিলা। পুলিশ তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনার সময়, আহত এই নারী বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি বাহার উদ্দিনের স্ত্রী। ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, ওই নারী একটি সিআর মামলার বাদী ছিলেন যেখানে তিনি স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছেন। আজ আদালতে মামলার একটি ধার্য তারিখ ছিল। আদালতের চলাকালীন সময়ে ওই নারী এজলাসের মধ্যে কিছু একটা পান করেন।
এটি ঘটার পর তার চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, বুধবারের শুনানির জন্য মামলার চার্জ গঠনের তারিখ নির্ধারিত ছিল। এসময় বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনকে রেখে দুই আসামিকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বাদী মহিলার ভুল বোঝাবুঝি হয়। তিনি মনে করেন যে তার স্বামীকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাই তার ব্যাগ থেকে তরল কিছু বের করে এজলাসের মধ্যে পান করেন।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলমান, এবং তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। তবে কি পান করেছেন তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি। ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ফরিদুর রহমান জানান, আমার ধারণা বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা নেই। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন যে আজই বিচার পেয়ে যাবেন। এ কারণেই আদালত এক নম্বর আসামিকে রেখে বাকি আসামিদের খালাস দেওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিক এজলাসে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন