প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে চালানো হামলাগুলো বর্তমানে ‘তুলনামূলকভাবে সীমিত’ পরিসরে রয়েছে। তবে পরিস্থিতি খুব দ্রুত আরও তীব্র রূপ নিতে পারে, এ বিষয়ে একজন বিশ্লেষক নিজেদের মতামত দিয়েছেন।
জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারের পল মাসগ্রেভ বলেন, ‘আলোচনা করার সুযোগ সবসময়ই থাকে, কথা বলার সুযোগও থাকে, তবে কখনো কখনো দেশগুলো একে অপরকে আঘাত করার বা শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে আলোচনা চালায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এখন যা দেখছি তা হলো, ‘উভয় পক্ষই তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্যগুলো কী, সে সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করছে। ওয়াশিংটনের ক্ষেত্রে এটা স্পষ্ট, তাদের পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালী এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি জড়িত রয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ আঞ্চলিক ক্ষেত্রে তাদের লক্ষ্যগুলোকে আরও উচ্চাভিলাষী করে তুলেছে।
মাসগ্রেভ জানান, ‘ইরানিরা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে, তবে তারা কুয়েতের অফশোর (সমুদ্রতীরবর্তী) তেল প্রকল্পগুলোতেও হামলা চালাচ্ছে। এগুলো এখনও তুলনামূলকভাবে সীমিত পরিসরে রয়েছে। আমরা বড় আকারের বা ব্যাপক হামলার কথা বলছি না। তবে এর মধ্যে পরিস্থিতি আরও ধাপে ধাপে উত্তপ্ত বা তীব্র করার আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা ও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে অঞ্চলটিতে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। বিশ্ববাজারে এর সরাসরি প্রভাব হিসেবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অর্থনৈতিক সূচকে অস্থিরতা দেখা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন