প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের বিভিন্ন স্থানে উৎসে কর কর্তন (টিডিএস) মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। এই লক্ষ্যে কর অঞ্চলগুলোর বিশেষ টিম মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে এ বছর আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারায় কর কর্মকর্তাদের কর্মপরিধি সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এনবিআরের পক্ষ থেকে।
রোববার (১৯ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআরের তরফ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী, কর কর্মকর্তারা যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ, ব্যবসা কেন্দ্র বা দফতরে বিনা বাধায় প্রবেশ এবং সরেজমিনে পরিদর্শন করার ক্ষেত্রে অধিকার রাখেন। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রসিদ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কিত যে কোনো নথিপত্র পরীক্ষা করতে পারেন অথবা তলব করতে পারেন।
এছাড়া, প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভাঙার মাধ্যমে তথ্যে প্রবেশ করার অধিকারও রয়েছে কর কর্মকর্তাদের। উৎসে কর্তিত করের সত্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা ডিভাইস সাময়িকভাবে জব্দ করা এবং নির্ধারিত হেফাজতে রাখা সম্ভব হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, যেকোনো নথিপত্র, ইমেজ বা অ্যাকাউন্টের কপি সংগ্রহ করার সঙ্গে সঙ্গে তাতে শনাক্তকরণ চিহ্ন বা সিল মোহর ব্যবহার করা যাবে। এনবিআর সতর্ক করেছে, রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা বা অসহযোগিতা করলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭(২) ধারা অনুযায়ী জরিমানার বিধান রয়েছে।
করদাতাদের সঠিক আইনি ধারা এবং আয়কর জমা করার সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কোড উল্লেখ করে এ-চালানের মাধ্যমে উৎসে কর্তিত কর সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে এনবিআর। ১৪৭ ধারা প্রয়োগ নিয়ে যদি কোনো অস্পষ্টতা, জটিলতা, হয়রানি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে এনবিআরের ১৪৭ ধারা-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিবের কাছে ই-মেইলের ([email protected]) মাধ্যমে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন