প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সৃজনশীল এবং কার্যকর ডিজিটাল কনটেন্টের গুরুত্ব নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। এই কারণে, দেশের চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত দেশের শীর্ষস্থানীয় কনটেন্ট নির্মাতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যোগাযোগকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। সভায় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি মানুষের আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে জনপ্রিয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সম্পৃক্ত করতে চায়, যা গতানুগতিক সরকারি প্রচারণার বাইরে। এ সময় আ নিয়েও আলোচনা হয়।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতালগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিন হাজার চিকিৎসককে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় শয্যা প্রস্তুত রাখার কাজও চলছে। তবে, শুধুমাত্র চিকিৎসাসেবা জোরদার করে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়; মানুষের আচরণগত পরিবর্তনও অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কথা শোনে। একটি সৃজনশীল কনটেন্ট ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করতে পারে।
এ কারণে কনটেন্ট নির্মাণকে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক কাজ হিসেবে না দেখে সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার আহ্বান জানান ডা. এম এ মুহিত।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী তিন মাসের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এজেন্সিগুলোকে শিগগিরই তাদের প্রাথমিক ধারণা ও পরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ২০ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে এসব কনটেন্টের ডিজিটাল প্রচার শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন