প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব ও বরকতময়তা অপরিসীম। এটি শুধুমাত্র দুই ব্যক্তির মিলন নয়, বরং দুটি পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা, দায়িত্ব ও সহযোগিতার সূচনা করে। এজন্য ইসলামে বিবাহকে সহজ, বরকতময় এবং শরিয়াহসম্মতভাবে সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
বর্তমানে মুসলিম সমাজে বিয়ে উপলক্ষে পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে নানা সামাজিক কুসংস্কার ও অনাচার বিদ্যমান। বিয়ের প্রক্রিয়ায় পাত্রী কে দেখবে, সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি।
এই প্রসঙ্গে একটি ইসলামি আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ মন্তব্য করেন যে, বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পাত্রীকে তার বংশের সকল পুরুষ দেখতে পারে। অনেক সময় পাত্র নিজেই পাত্রীকে দেখে না। এ ক্ষেত্রে উত্তম পদ্ধতি হলো, বিয়ের সিদ্ধান্ত হলে ছেলে-মেয়ে একে অপরকে দেখে নেবে। এটি সুন্নাত। এর ফলে কিছু উপকারিতা রয়েছে। প্রথমত, বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী একে অপরকে দেখলে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। দ্বিতীয়ত, কোনো দোষ-ত্রুটি থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়, ফলে পরবর্তীতে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয় না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিষয় মনে রাখা উচিত, বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্রীকে শুধুমাত্র পাত্র দেখতে পারবে, অন্য কোনো পুরুষের দেখা হারাম।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও উল্লেখ করেন, আমাদের দেশে প্রচলিত কিছু খারাপ প্রথা হলো, পাত্রী দেখতে গিয়ে অন্য পুরুষসহ পাঁচ-সাতজন দেখতে যান। এটি কোরবানির বাজারে গরু-ছাগল দেখার মতো। এভাবে পাত্রীকে অপমান করা ইসলাম অনুমোদন করে না। এই ক্ষেত্রে পাত্রীকে শুধুমাত্র পাত্রপক্ষের মা, বোন, ভাবি এবং অন্যান্য নারীরা দেখতে পারবেন।
ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব ও বরকতময়তা অপরিসীম। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّه“ لَه“ وِجَاءٌ
‘হে যুবসমাজ, তোমাদের মধ্যে যার বিয়ের সামর্থ্য আছে, তার বিয়ে করা উচিত। কেননা বিয়ে চোখকে নিচু রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন রোজা রাখে। কেননা রোজা যৌবনের খায়েশ কমিয়ে দেয়।’ (বুখারি ৫০৬৫, মুসলিম ১৪০০)
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন