প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রোহিঙ্গাদের দেশে দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সংস্থাটির নবনির্বাচিত মহাসচিব ইসমাইল ওউল্দ শেখ আহমেদ। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘায়িত এই রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং সকলের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হতে পারে।
আজ জেদ্দায় ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এম জে এইচ জাবেদের সাথে এক বৈঠকে নবনির্বাচিত মহাসচিব এসব কথা বলেন। বৈঠকের সময় রাষ্ট্রদূত জাবেদ নতুন মহাসচিবের হাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের পক্ষ থেকে পাঠানো শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা হস্তান্তর করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নবনির্বাচিত ওআইসি মহাসচিবের প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং তাঁর দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। নতুন ওআইসি মহাসচিব বাংলাদেশে সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রশংসা করেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নতুন গতি লাভ করবে।
মহাসচিব ওআইসির অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি ওআইসিভুক্ত সদস্য দেশগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষা প্রসারে অনন্য ভূমিকা পালন করছে। তিনি আইইউটি-র গবেষণা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো আধুনিক ক্ষেত্রে পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, তাঁর সফরসূচিতে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে।
বৈঠকে উভয়পক্ষ একমত হয় যে, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সম্পদে বৈচিত্র্য থাকায় তারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ (কনট্রাক্ট ফার্মিং), স্বাস্থ্যসেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আতিথেয়তা (হসপিটালিটি), শিক্ষাসহ একাধিক উৎপাদনশীল খাতে পারস্পরিক সুবিধাজনক (উইন-উইন) ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ এবং এর নেতৃত্ব ও জনগণের বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণের জন্য নতুন মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত জাবেদ বলেন, আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ওআইসি সচিবালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন