প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে যৌথ দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভাটি রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা এবং হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।
সভায় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, আমদানি-রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। হিলি স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বাণিজ্যিক কার্যক্রম দুই দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা আরও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হবে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক সমস্যাগুলো আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, হিলি স্থলবন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের ভিসা সহজলভ্য করা প্রয়োজন। এর ফলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভারতে গিয়ে আমদানির পণ্য যাচাই-বাছাই করতে সক্ষম হবেন।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বন্দরের কার্যক্রমকে সহজ ও গতিশীল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন