প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরের একটি মামলায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (‘এনসিপি’) অঙ্গসংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় এক নেতা সহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে রোববার (৫ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার গোপালগঞ্জ পাঁচমাইল এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া হয়।
কারাগারে সন্নিবেশিত আসামিরা হলেন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন, হাসিন ইসরাক মিম, আজমীর হোসেন ওরফে প্রেম, সাজেদুল মিনহাজ এবং মোহাম্মদ হৃদয়।
মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, সদর উপজেলার খোশালপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদকে অপহরণের পর তার ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে শহরের গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে আসামিদের থানায় নেয়ার সময় ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আব্দুস সামাদকে অবৈধভাবে অপহরণ করে মারধর করা হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এই বিষয়ে মামলার বাদী মো. মামুন অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন এবং এর পর পাঁচ আসামিকেই আদালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরনবী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে আদালতের মাধ্যমে পাঁচজনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম জানান, সোমবার (৬ জুলাই) রাত থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে পুলিশি নিরাপত্তায় আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পুলিশি প্রাথমিক তদন্তে জমি সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনে বিরোধের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন