প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীদের জন্য একটি নতুন উদ্বেগের খবর প্রকাশিত হয়েছে। দেশটিতে যারা বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত রয়েছেন, তাদের কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিটের নবায়নের পুরনো এবং সহজ নিয়মটি পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্বে, কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও নবায়নের আবেদন জমা থাকলে অতিরিক্ত ৫৪০ দিন বা প্রায় দেড় বছর কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল। তবে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে এই দীর্ঘ সময়ের ছাড় একবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর থেকে, আপনার কাজের কাগজের মেয়াদ যে তারিখে শেষ হবে, সেই দিন থেকেই আপনি আর কাজ করতে পারবেন না। আপনার নবায়নের কাগজ ইমিগ্রেশন অফিসে ঝুলে থাকলেও, আইন অনুযায়ী আপনি কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। নতুন করে কাগজ নবায়নের আবেদন করতে চাইলে, মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাসের আগে সেই ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগও নেই।
ইমিগ্রেশন বিভাগের কাজের ধীরগতির বিষয়টি সবার জানা। একটি সাধারণ আবেদন নিষ্পত্তি করতে যেখানে মাসের পর মাস লেগে যায়, সেখানে মাত্র ছয় মাস আগে আবেদন করার সুযোগ মেলায় অনেকেই বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন। সরকারের আবেদন বা বাছাই শেষ করতে না পারার কারণে হাজার হাজার মানুষকে এখন সময়ের আগেই চাকরি হারাতে হতে পারে অথবা কোনো অপরাধ না করেও ঘরে বসে থাকতে হতে পারে।
মার্কিন সরকারের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ অবশ্য ভিন্ন কথা বলছে। তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কর্মীদের যোগ্যতা বারবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্যই এই নিয়ম কঠোর করা হয়েছে। এই নিয়মটি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পুরো যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন এবং যারা এইচ-১বি ভিসায় থাকা কর্মীর জীবনসঙ্গী হয়ে এইচ-৪ ভিসায় কাজ করছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত অভিবাসীদের আবেদনের ভিত্তিতে কিছুটা বাধা দিলেও, সরকারের এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত বহাল থাকছে। ফলে সাধারণ অভিবাসী কর্মীদের ভবিষ্যৎ এখন বেশ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন