প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউইয়র্ক, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মধ্যে বৈঠকে বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, বিভিন্ন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বৃদ্ধি, এবং জ্বালানি সংকট সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠক শেষে, আমির খসরু সাংবাদিকদের কাছে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে যে অংশীদারিত্ব এবং সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ আগামী দিনের যেসব প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে, সেগুলোতে বিশ্বব্যাংকের অংশীদারিত্ব কাঠামোর মধ্যে আমরা কীভাবে কাজ করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আলোচনার মধ্যে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী যেসব কর্মসূচি নিয়েছেন, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ইত্যাদি সামাজিক কর্মসূচি, সেগুলো বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে এবং এগুলোতে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন থাকবে।’
‘বিশেষ করে ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপের যেসব প্রোগ্রাম রয়েছে, সেখানে আমরা যে প্রোগ্রামগুলো রোলআউট করেছি, ৫০ শতাংশ গ্র্যান্ট এবং ৫০ শতাংশ কনসেশনাল লোনে আগামী দিনে এই প্রোগ্রামটি কীভাবে বিশ্বব্যাংকের সাথে একত্রে বড় আকারে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ও তরুণদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আমরা একসাথে কাজ করব।’
অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ যে সমস্যা রয়েছে, তার মধ্যে তেল-গ্যাস সংকট উত্তরণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখানে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক এগিয়ে আসতে রাজি আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যেসব প্রকল্প গ্রহণ করেছি সেগুলো ঠিক রাখতে হবে, যাতে সাপ্লাই চেইনের কারণে ব্যাহত না হয়। এখানে বিশ্বব্যাংক কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি জানাতে চাই, আমরা একসাথে কাজ করতে সম্মত হয়েছি, সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।’
টেকসই প্রকল্পগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে, অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক খুবই মনোযোগ সহকারে দেখছে। বিশেষ করে ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বিষয়ক যে প্রকল্পগুলো রোলআউট করা হয়েছে, সেটিকে আরও বড় আকারে নেওয়ার ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি।’
সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন