প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে কর্মক্ষেত্রে অবস্থান ধরে রাখতে নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়ন অপরিহার্য।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স কনফারেন্স হলে বাউবির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ‘স্ট্র্যাটেজিক হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এন্ড অফিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, প্রশিক্ষণ একজন পেশাজীবীর কর্মদক্ষতা, নেতৃত্বগুণ, যোগাযোগ সক্ষমতা এবং সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রযুক্তিগত জ্ঞানের পাশাপাশি সফট স্কিল অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা, সততা, দায়িত্ববোধ এবং পেশাগত প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভরশীল।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় মানবসম্পদ উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়ে তুলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বাউবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, উৎকর্ষ সাধন এবং সেবার মান বৃদ্ধিতে আরও কার্যকর ও পেশাদার ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান। সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. সায়মা আহমদ।
প্রশিক্ষণে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান এবং মো. সহিদুল ইসলাম ফকির।
তারা সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, শিল্প সম্পর্ক ও কর্মসংস্থান কৌশল, মানবসম্পদ কৌশলের নবায়ন, কর্মক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব নিরসন, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনা, পেশাদারিত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ দক্ষতা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন তালুকদার। প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক, উপ-পরিচালক ও সমপর্যায়ের মোট ৪১ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন