০৭:২৩ পি.এম
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। ঋণখেলাপী এবং জামিনদাররাও প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হবেন।
এছাড়া, ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকলেও নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলার পরিষদের আইনগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এনআইসিটিএফ নেতাদের জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন
তিনি আরও জানান, স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না। এই প্রস্তাবগুলো কমিশন দ্বারা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করছি এনআইডির জন্য অথবা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছাবেন, তখন তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। তার আগে এটি ডরম্যান্ট অবস্থায় থাকে।’
ইসি সচিব আরো বলেন, ‘এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়- সেটা নিয়ে আরো কিছু পর্যালোচনার পরে আমরা একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো। এটা এসএসসি না ক্লাস এইট না প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটি তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসবো।’
আরও পড়ুন: বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষার ফি নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন