প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বছরের পর বছর ধরে তার সুমধুর কণ্ঠের আজানে মুখরিত হয়েছে মসজিদ প্রাঙ্গণ। সেই সুর শুনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য মসজিদে ছুটে আসেন এলাকার শত শত ধর্মপ্রাণ মানুষ। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঐতিহাসিক সাতৈর শাহী জামে মসজিদে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে অবশেষে অবসরে গেলেন মোহাম্মদ মতিউর রহমান—য whom সবাই চেনেন ‘মতি হুজুর’ নামে।
দীর্ঘ কর্মজীবনের ইতি টেনে বিদায় নেওয়ার মুহূর্তে এই শ্রদ্ধেয় মুয়াজ্জিনের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নগদ ২ লাখ টাকা ও সম্মাননা পোশাক।
শুক্রবার বিকেলে ঐতিহাসিক সাতৈর শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রবীণ এই মুয়াজ্জিনের হাতে এ সম্মাননা ও উপহার তুলে দেন মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় মুসল্লিরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে মসজিদটিতে সেবা দিয়ে আসছেন মতি হুজুর। প্রতিদিন নিয়মিত আজান দেওয়া এবং মসজিদের দেখাশোনা করাই ছিল তার প্রধান কাজ। সময়ের পরিক্রমায় তিনি কেবল একজন মুয়াজ্জিনই থাকেননি, বরং পুরো এলাকার মানুষের কাছে এক পরম শ্রদ্ধেয় ও আপনজন হয়ে উঠেছিলেন।
সম্মাননা প্রদানকালে ঐতিহাসিক সাতৈর শাহী জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি খন্দকার নাজিরুল ইসলাম এবং ময়না ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মশিউল আজম মৃধাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আয়োজিত এই বিদায় সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক সাতৈর শাহী জামে মসজিদে মতি হুজুরের সাড়ে চার দশকের কর্মময় এক সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন