প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের করাচিতে এলপিজির বাজারদর সরকারি নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের পারিবারিক ব্যয়ে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারের ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সরকারি মূল্যতালিকা রয়েছে, বাজারে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না, ফলে ক্রেতাদের বাড়তি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করাচির বাজারে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৫০ রুপি বেড়ে ৫৫০ রুপিতে পৌঁছেছে। এই দাম সরকারিভাবে নির্ধারিত হারের প্রায় দ্বিগুণ। ফলে সরকারি নিয়মকানুন এবং বাজারের বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে একটি বড় ধরনের ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে।
পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ নেই এমন পরিবারগুলোর জন্য এলপিজি কেনার বিকল্পও সীমিত। তাই চড়া দাম সত্ত্বেও তাদের বাধ্য হয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান থেকে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে এবং কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি নিশ্চিত না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে খুচরা বিক্রেতারাও সংকটে পড়েছেন। দোকানদারদের দাবি, পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য খরচ সামাল দিতে গিয়ে তাদের বিক্রি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। ফলে বিক্রেতা এবং ক্রেতা—উভয় পক্ষই চাপের মধ্যে রয়েছে।
জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধুমাত্র গ্যাস কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এলপিজির দাম বাড়লে পরিবহন ভাড়া, তন্দুর এবং বেকারি পণ্যের উৎপাদন খরচও বাড়তে পারে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে। বাজার পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, কার্যকর নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের অভাবে বিপণন সংস্থাগুলো অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। এতে ভোক্তা অধিকার আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন