প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে আরো জোরদার করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। চলমান এই অভিযানের অংশ হিসেবে গত এক মাসে প্রায় ৫১ হাজার অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)। এই সংস্থাটির ইতিহাসে এক মাসে এটিই সর্বোচ্চ গ্রেপ্তারের রেকর্ড।
আইস-এর প্রকাশিত তথ্য ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, গত মাসে সংস্থাটি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ৬৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে, গত জুনে মাসে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৩ হাজার গ্রেপ্তারের রেকর্ড ছিল। এইভাবে টানা দুই মাসে আইস নতুন গ্রেপ্তার রেকর্ড গড়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশজুড়ে অভিবাসন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগে ক্রিয়াশীল। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীদের শনাক্ত করানো, আটক এবং বহিষ্কারের লক্ষ্যে প্রশাসন ফেডারেল সংস্থাগুলোকে অভিযানের অধিকতর জোর দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন অভিযানের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, জর্জিয়ায় পরিচালিত একটি বিশেষ অভিবাসন অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ২২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
এছাড়া, গত মাসে বিমানবন্দরগুলোতেও ৩০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিবাসনবিষয়ক অভিযানের বৃদ্ধি পেলে বহিষ্কারের সংখ্যাও বেড়েছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানায়, চলতি অর্থবছরে জুন পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮৯ জনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এই অভিযানকে অভিবাসন আইন কার্যকর করার ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের সরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরছে। এ বিষয়ে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন বলেন, অপরাধে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের কমিউনিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগের প্রতি সমর্থন রয়েছে ৮০ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের।
তার দাবী, অপরাধীদের সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে আরো নিরাপদ বানানো হচ্ছে। তবে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান নিয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক অভিযানে এমন ব্যক্তিরাও আটক হয়েছেন, যাদের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নেই। কেউ কেউ বৈধভাবে কাজ করার অনুমতিপত্র বা প্যারোলের নথিও প্রদর্শন করেছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন