প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের খুলশীতে ১৬ বছরের কিশোর মো. হৃদয়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মোট ৩২ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০ জন এজাহারনামীয়।
মামলাটি বুধবার রাতে দায়ের করা হয়, তবে শুক্রবার খুলশী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাসিম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে, হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত তিন কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম দৈনিক যুগান্তরকে জানান, হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন কিশোর আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ১৬ বছর এবং অন্য দুজনের বয়স ১৭ বছর। গ্রেফতার হওয়া কিশোরদের মধ্যে একজন স্কুলের শিক্ষার্থী এবং দুজন বাসের সহকারী (হেলপার)। পূর্ব বিরোধের কারণে হৃদয়কে ছুরি ও কিরিচ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা আদালতে স্বীকার করেছে। আদালত তাদের হাটহাজারীর ফরহাদাবাদে অবস্থিত সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার রাতে নগরীর খুলশী থানাধীন ওয়্যারলেস ৪ নম্বর লেনের শেষ মাথায় তালতলা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপর গ্রুপের সদস্যরা হৃদয়কে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৮ জনকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, ওই এলাকায় ‘৫জি’ ও ‘৭জি’ নামে দুটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। নিহত হৃদয় পেশায় ভ্যানগাড়িতে সবজি বিক্রেতা ছিল এবং সে ‘৫জি’ গ্রুপের সদস্য ছিল। তাকে হত্যা করেছে ‘৭জি’ গ্রুপের সদস্যরা। এই গ্রুপটির নেপথ্য নেতৃত্বে রয়েছেন নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা ওয়াকিল হোসেন বগা এবং তার ছোট ভাই নগর ছাত্রদল নেতা রকি হোসেন পিচ্চি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন