প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের মধ্যে সম্পর্কের বরফ অবশেষে গলতে শুরু করেছে। সব মতবিরোধ পেছনে ফেলে তারা নতুন করে রাজনৈতিক জোট গড়েছেন। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জেতাতে অন্তত ১০ কোটি (১০০ মিলিয়ন) ডলার খরচ করার ঘোষণা দিয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী।
গত মে মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এয়ারফোর্স ওয়ানে চীনে যান ইলন মাস্ক। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দীর্ঘ যাত্রায় দুজনের মধ্যে বেশ আন্তরিক আলোচনা হয়। কারখানার প্রসার ও মহাকাশ নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দেন মাস্ক।
অথচ কয়েক মাস আগে, তাদের সম্পর্কের পরিস্থিতি বেশ অবনতি হয়েছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে জেতাতে প্রায় ৩০ কোটি ডলার খরচ করেছিলেন মাস্ক। পরে তিনি হোয়াইট হাউসের ‘ডজ’ (DOGE) প্রকল্পে যুক্ত হয়ে সরকারি ব্যয় কমানোর কাজ শুরু করেন। কিন্তু মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগে ট্রাম্পের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। সেসময় ট্রাম্প মাস্কের সরকারি চুক্তি বাতিলের কথাও বলেছিলেন।
তবে পর্দার আড়ালে এই দূরত্ব ঘোচাতে কাজ করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেপ্টেম্বরে অধিকারকর্মী চার্লি কার্কের স্মরণসভায় ট্রাম্প ও মাস্কের পুনর্মিলন ঘটে। এছাড়া মাস্কের অপছন্দের কর্মকর্তা সার্জিও গোরকে ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো এবং মাস্কের মিত্র জ্যারেড আইজ্যাকম্যানকে নাসার প্রধান করার সিদ্ধান্তটিও তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।
বর্তমানে এই দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্ব প্রতি মাসে অন্তত একবার কথা বলছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করছেন তারা। তবে ট্রাম্প মনে করেন, আগের মতো ঘনিষ্ঠতা হয়তো আর হবে না। মাস্কও জানিয়েছেন, তিনি রাজনীতিতে আর এতটা জড়াতে চান না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন