প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের চাপও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগন তাদের কয়েক দশকের পুরোনো ব্যবসায়িক কৌশল পরিবর্তন করতে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটি গাড়ির মডেলের সংখ্যা প্রায় অর্ধেক কমানোর পরিকল্পনা তৈরি করেছে। পাশাপাশি, উৎপাদন সক্ষমতা কমানো হবে প্রায় ১০ লাখ ইউনিট। এই ঘটনার ফলে, চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক।
ভক্সওয়াগন, যা ইউরোপের অটোমোবাইল শিল্পে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে, এখন একটি বড় সংকটের মোকাবিলা করছে। অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয়, চীনের গাড়ি নির্মাতাদের সাথে প্রবল প্রতিযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতির চাপের কারণে প্রতিষ্ঠানটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবিলা করতে, তারা এখন বড় ধরনের পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় ভক্সওয়াগন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী অলিভার ব্লুম জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি এখন রূপান্তরের নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে। ব্যবসার জটিলতা কমানো, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা কমানো এবং বিনিয়োগ বাড়িয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করবে তারা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাড়ির মডেলের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নামানো হবে এবং উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ইউনিট থেকে কমিয়ে ৯০ লাখ ইউনিটে আনা হবে। এছাড়া, বিভিন্ন মডেলের সরঞ্জাম ও অপশনের জটিলতা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর লক্ষ্যও রয়েছে।
তবে এই পরিকল্পনাটি নিয়ে শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা কমলে কয়েকটি কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলবে। ইতিমধ্যে, চাকরি হারানোর শঙ্কায় বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন