প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালপুরের টাঙ্গাইল এলাকায় একই পরিবারের সাত সদস্যকে নেশাজাতীয় কিছুর খাওয়ানোর জন্য অচেতন করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর পরের রাতে ওই পরিবারের বাড়িতে সংঘটিত হয়েছে একটি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদারপাড়া গ্রামে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরিবারের সদস্যদের খাবারের সাথে নেশাজাতীয় বা বিষাক্ত কোনো পদার্থ মেশানো হয়েছিল।
খাবার খাওয়ার পরপরই পরিবারের সদস্যদের পাতলা পায়খানা শুরু হয়। এক পর্যায়ে, তারা সকলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হলে তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্য আরিফা বেগমের কথা, রান্নাঘরে রাখা লবণের পাত্রে শত্রুতাবশত কেউ বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়ে দিতে পারে।
সেই লবণ দিয়ে রান্না করা খাবার এবং খাবারের সাথে বাড়তি লবণ খাওয়ার পরপরই পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। সবচেয়ে রহস্যজনক বিষয় হল, পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে আজ রাতে ওই বাড়িতে ঢুকে সংঘবদ্ধ একটি চোরচক্র স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।
একদিকে পরিবারের সাত সদস্যকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অচেতন করার অভিযোগ, অন্যদিকে পরের রাতে একই বাড়িতে ঘটে যাওয়া দুর্ধর্ষ চুরি—এই দুই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন