প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার আনন্দের মাঝে আর্জেন্টিনা নতুন বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে। সেমিফাইনালের পর মাঠে রাজনৈতিক বার্তা সহ একটি ব্যানার প্রদর্শনের জন্য তদন্ত শুরু করেছে ফিফা।
আটলান্টা শহরে বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর পর গ্যালারি থেকে প্রাপ্ত একটি ব্যানার হাতে নেন আর্জেন্টিনার কিছু খেলোয়াড়। ব্যানারটিতে লেখা ছিল ‘লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস’, যার বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘মালভিনাস (ফকল্যান্ড) দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।’
এই বার্তাটি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের উপর আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্বের দাবিকে সামনে নিয়ে আসে। ঘটনাটি নিয়ে আপত্তি জানায় যুক্তরাজ্য সরকার এবং তারা ফিফার কাছে তদন্তের দাবি জানায়।
এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ফিফা এক বিবৃতিতে জানায় যে, সংস্থার শৃঙ্খলা কমিটি ম্যাচ-সম্পর্কিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করছে। সব দিক বিবেচনা করে ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ফকল্যান্ড বা আর্জেন্টিনার ভাষায় মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জকে ঘিরে আর্জেন্টিনা এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিরোধ কয়েক দশক ধরে চলছে। ১৯৮২ সালের যুদ্ধে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ পুনরায় ফিরে পায় যুক্তরাজ্য। যদিও আর্জেন্টিনা এখনো দ্বীপটির উপর নিজেদের দাবি শক্তিশালীভাবে বজায় রেখেছে।
ফিফা এবং ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা আইএফএবির নিয়মের অধীনে, মাঠে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত বার্তা কিংবা স্লোগান প্রদর্শন নিষিদ্ধ। এই কারণে ম্যাচের আগে ফকল্যান্ড-সংক্রান্ত পতাকা বা ব্যানার মাঠে আনা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে একটি ব্যানার গ্যালারিতে পৌঁছে যায় এবং ম্যাচের শেষে সেটি খেলোয়াড়দের হাতে দেখা যায়।
ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন করলে সংশ্লিষ্ট দলের উপর জরিমানা আরোপ হতে পারে। পরিস্থিতি এবং দায়িত্বের মাত্রা দৃষ্টিতে কোনো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন