প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৬টি গ্রামবাসী সহিংসতায় না জড়ানোর অঙ্গীকার করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র জমা দেওয়ার উদ্যোক্তা হন। উক্ত ৬ গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (১০ জুন) বিকেলে মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন।
তবে, সম্পূর্ণ খবর অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে, ৬ গ্রামবাসী মাত্র ২৩টি দেশীয় অস্ত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১২টি ঢাল এবং ১১টি সরকি-টেটা রয়েছে।
তথ্যটি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকে বলছেন যে, গ্রামবাসী অস্ত্র জমা দেওয়ার নামে পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে একটি ধরনের প্রতারণা করেছেন। কারণ, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া, খলিশপট্টি, মুরাটিয়া, নওপাড়া, কাগদী ও বাতাগ্রাম গ্রামে হাজারো দেশীয় অস্ত্র মজুদ আছে। অথচ তারা মাত্র ২৩টি অস্ত্র জমা দিয়েছেন। তবে অস্ত্র জমাদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পুলিশ ও প্রশাসন এবং তারা গ্রামবাসীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ, পুলিশ পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ মল্লিক এবং সালথা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৬টি গ্রামের মানুষ স্বেচ্ছায় ২৩টি দেশীয় অস্ত্র জমা দিয়েছেন। যারা স্বেচ্ছায় অস্ত্র জমা দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন, তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। তাদের এই পদক্ষেপ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন