প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ বাতিল করে নতুনভাবে প্রণীত ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।
গেজেটে আইনটিকে ‘২০২৬ সালের ১১০ নম্বর আইন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ বাতিল করে নতুন আইন কার্যকর করা হলো।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল ২০২৬’ কণ্ঠভোটের মাধ্যমে পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন।
নতুন আইনে এপিবিএনকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠন ও পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
আইনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো—এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য প্রত্যক্ষ আইনি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে বাহিনীটি অপরাধের স্থলে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।
এছাড়া, প্রশাসনিক তথ্য সুরক্ষার জন্য নতুন আইনে বিশেষ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। একইসঙ্গে এসব তথ্য প্রকাশে কোনো ধরনের সহযোগিতাও করতে পারবেন না।
গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সংসদে পাস হওয়া বিলটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন