প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনায় বিয়ে বাড়িতে সাউন্ড সিস্টেম লাগিয়ে গান বাজনা ও ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন কলেজ ছাত্র মোস্তফা আমীর ফয়সাল (২০)। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩ জন। নিহত মোস্তফা আমীর ফয়সাল বামনীকোনা গ্রামের সাংবাদিক নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি নেত্রকোনা আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বামনীকোনা গ্রামের সংসদ বাজার এলাকার ইদ্রিস আলীর মেয়ে শাবানার বিয়ের আয়োজন চলছিল। ওই অনুষ্ঠানটি সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে শুরু হয়। বিয়ে বাড়িতে সাউন্ড সিস্টেম লাগিয়ে গান বাজনা ও ছবি তোলা চলছিল।
এই সময় একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে মাসুম (১৯) তার বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে এসে নাচ গানে মস্তিষ্কবিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। মোস্তফা ফয়সাল তাদেরকে সেখানে থেকে চলে যেতে বললে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। পরে মাসুম সেখান থেকে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তিনি তার পরিবারের সঙ্গে ফিরে এসে ফয়সাল ও তার লোকজনের উপর হামলা চালায়। হামলায় ফয়সাল (২০), তার চাচাতো ভাই রবিন হাসান (১৯), আব্দুল্লাহ আল ফাহিম (১৮), এবং চাচা সাদেকুল ইসলাম (৪৫) আহত হন।
আহতদের স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ফয়সাল ও সাদিকুলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে ফয়সাল মারা যান।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্বজল কুমার সরকার জানান, 'বিয়ের অনুষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেম লাগিয়ে গান বাজনা ও ছবি তোলার কারণে প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজ শিক্ষার্থী ফয়সাল নিহত হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনা তদন্তের জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষ একজন যুবককে আটক করেছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন