প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা আবশ্যক।
রোববার ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রেসিডেন্ট এই কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মতো অন্যান্য দেশের মতো ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।
প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, নগরগুলো শুধুমাত্র নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়। বিশ্বব্যাপী নগরগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এজন্য পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ন টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।
তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশের নগর অঞ্চলগুলো প্রতিনিয়ত জনসংখ্যার চাপ, যানজট, তীব্র দূষণ এবং মানহীন আবাসনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এই প্রেক্ষাপটে এ বছরের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেসিডেন্ট বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন অন্যতম। দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে আবাসন সংকট ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।
তিনি আবারও বলেন, সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের একটি প্রধান পূর্বশর্ত। তাই নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন। সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ পরিপালন, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার, স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, এই কাজে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি অংশীজন, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সুপরিকল্পিত নগরায়ন ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে এবং বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হবে।
প্রেসিডেন্ট ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন