প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রকাশ: ১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৫
রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানিয়েছেন যে, এ নিয়ে নাঈমকে ১১ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এদিন আসামি নাঈমের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি গ্রেপ্তার না দেখানোর জন্য আদালতে প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন এবং একই সঙ্গে কারাগারে পাঠানোর জন্যও নির্দেশ দেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে অবস্থানকালে গত ১২ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধানমণ্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আসামির উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানির জন্য ১৫ জুলাই দিন ধার্য করা হয়।
নাঈমের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। একই ব্যক্তিকে একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর মাধ্যমে জামিনের সাংবিধানিক অধিকারকে কার্যত অর্থহীন করে তোলা হচ্ছে। আদালত থেকে একটি মামলায় জামিন পেলেই আবার অন্য একটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অনির্দিষ্টকাল কারাগারে আটকে রাখার অপকৌশল চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই ধারাবাহিক কার্যক্রম আইন এবং শাসনের নামে ন্যায়বিচারের চেতনাকে আঘাত করছে, ব্যক্তিস্বাধীনতার পাশাপাশি সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। বর্তমানে আনোয়ার হোসেন নাঈম ২ বছর ধরে কারাগারে বন্দি আছেন। এটি অতি অমানবিক এবং নিষ্ঠুর আচরণ।
আইন ও শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। নাঈমের পরিবার সদস্যরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ধানমণ্ডি মডেল থানাধীন এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন যুবক মো. সজিব ইসলাম। সেদিন আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আক্রমণ করলে গুলিবিদ্ধ হন সজিব। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর ধানমণ্ডি মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন