প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে একটি মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটক করেছে। এই ঘটনার মাধ্যমে পানির নিচে চালকবিহীন ডুবোযান ব্যবহারের একটি বিরল উদাহরণ প্রকাশ পেয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আটক করা ডুবোযানটি ডাইভ-এলডি মডেলের একটি বড় আকারের স্বয়ংক্রিয় যান। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল এটি তৈরি করেছে। এই ডুবোযানটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯ ফুট এবং এটি মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা, সমুদ্রতলের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পানির নিচের ক্যাবল ও পাইপলাইন পরিদর্শনে সক্ষম।
আইআরজিসির নৌবাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন ডুবোযানটি ‘সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে’ সজ্জিত ছিল এবং এটি হরমুজের প্রবেশমুখ থেকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পেন্টাগনের দাবি, ড্রোনটি এক দিনেরও বেশি আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে পড়েছিল। তারা জানিয়েছে, এটি আঞ্চলিক জলসীমা জরিপের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। পেন্টাগন আরও বলেছে, ড্রোনটি পুরোনো মডেলের এবং এতে কোনো সংবেদনশীল তথ্য বা গোপন সোনার-রাডার সরঞ্জাম ছিল না।
অ্যান্ডুরিলও তাদের একটি ডুবোযান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ডাইভ-এলডি এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের জন্য তৈরি, যেখানে যানটি হারানোর সম্ভাবনা পূর্বেই বিবেচনায় রাখা হয়।
অ্যান্ডুরিলের তথ্য অনুযায়ী, ডুবোযানটি ঘাঁটিতে না ফিরে ১০ দিন পর্যন্ত চলতে পারে এবং এটি প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরে যেতে সক্ষম। প্রতিটি ইউনিটের দাম প্রায় ২৫ লাখ ডলার।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন