প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ফজলুল রহিম কাজল (৫৫) নামে এক সাবেক সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বিরামপুর এলাকায় কংস নদের তীরবর্তী একটি জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ফজলুল রহিম কাজল সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তিনি প্রায় দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। পরে নিজ এলাকায় একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে হিসাবরক্ষক হিসেবে কাজ করছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর সকালে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন কাজল। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান মেলেনি।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে কংস নদের তীরবর্তী বিরামপুর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে জঙ্গলের ভেতরে গিয়ে গাছের ডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান তাঁরা। মরদেহটির গলায় রশি প্যাঁচানো ছিল। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে মোহনগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবারের দাবি, কাজলকে অন্য কোথাও হত্যা করে রাতের আঁধারে তাঁর মরদেহ সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি গাছের ডালে হেলান দিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় কোনো আর্থিক লেনদেন কিংবা পূর্বশত্রুতার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন