প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদরাসা থেকে শিশুশিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আব্দুস ছবুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কারাগারে যাওয়া দুই আসামি হচ্ছেন রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরারী মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মো. জাকারিয়া (৩৫) এবং হাফেজ মো. জোবায়ের আহম্মেদ (২০)। গতকাল সোমবার দুপুরে, ওই মাদরাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে মো. নাঈম শেখ (১৩) নামে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তার মা নাজমা বেগম এই দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাত ১০টার দিকে পুলিশ আসামিদের মাদরাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই আমজাদ হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন। তবে এসআই আব্দুস ছবুর জানিয়েছেন, আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, নাজমা বেগমের দুই ছেলে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করে। আসামিরা বিভিন্ন কারণে নাঈমকে নির্যাতন করত। নাঈম বিষয়টি তার মাকে জানালে, নাজমা তার ছেলেকে মাদরাসা থেকে নিয়ে আসতে চান। কিন্তু আসামিরা জানায় যে, তারা মাদরাসা থেকে ছাড়পত্র দেবেন না। নাঈম পড়াশোনা করতে না চাওয়ায় তাদের ক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং তারা নির্যাতন করতে থাকে। সোমবার দুপুর ১টার দিকে নাঈম তার শিক্ষকদের জানায় যে, সে আর মাদরাসায় পড়বে না। তখন তাকে মারধর করা হয় এবং চ্যাঙ্গদোলা করে রাখা হয়। পরবর্তীতে দুপুর ১টার থেকে আড়াইটার মধ্যে, আসামিরা নাঈমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে, এই অভিযোগ করেছেন নাজমা বেগম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন