প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে নিহত হন স্কুলশিক্ষিকা রনজিনা পারভিন। র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া, ছিনতাইয়ের সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তির নাম মো. পনি, যিনি প্যারা পনি নামেও পরিচিত। র্যাব-২-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, এ বিষয়ে বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে।
রনজিনা পারভীন চিকিৎসার জন্য বগুড়া থেকে রাজধানীতে এসেছিলেন।
গতকাল শনিবার ভোরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে তিনি ছিনতাইয়ের শিকার হন। ছিনতাইকারীরা তার ব্যাগ ধরে টান দিলে তিনি রিকশা থেকে রাস্তায় পড়ে যান। পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে অজ্ঞাত একজনসহ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
জানা গেছে, শুক্রবার রাতে স্বামী আবদুল মতিনের সঙ্গে বাসে করে বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন রনজিনা। শনিবার ভোরে তারা কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নামেন। সকাল ৬টার দিকে সেখান থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ফার্মগেটের খামারবাড়ির ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
রনজিনার স্বামী আবদুল মতিন জানান, মোটরসাইকেলটি দুই বার তাদের রিকশার পাশে ঘষা দেয়।
তিনি প্রতিবাদ জানান। এরপর রিকশাচালক গতি কমিয়ে দেন। আর সেই মুহূর্তে পেছনে থাকা মোটরসাইকেলের আরোহী রনজিনার কাঁধে থাকা ব্যাগটি ধরে সজোরে টান দেন। ছিনতাইকারী ব্যাগ নিয়ে খামারবাড়ির দিকে চলে যায়। আর হেঁচকা টানে রিকশা থেকে উল্টে সড়কে পড়ে যান রনজিনা।
স্ত্রীকে পড়ে যেতে দেখে রিকশা থামিয়ে পেছনে দৌড়ে যান মতিন। গিয়ে স্ত্রীর মাথা কোলে তুলে নেন। তখন রনজিনা রক্তাক্ত ও সংজ্ঞাহীন। এরপর কোলে তুলে ওই রিকশাতেই স্ত্রীকে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন