প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের উদ্যোক্তাদের সমন্বিত তালিকা প্রণয়ন করা হবে প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে। শিক্ষিত তরুণরা বাণিজ্যিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে এলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও তৈরি হবে এবং এভাবে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা একটি ভার্চুয়াল (জুম) সভায় তিনি এসব কথা বলেন, যা বিভাগীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিভাগীয় পরিচালক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সারা দেশের খামারি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে সমস্যার সমাধানে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষিত উদ্যোক্তারা পরিকল্পিতভাবে খামার পরিচালনা করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার, খাদ্য এবং অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করেন। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমে এবং লাভও বাড়ে। অন্যদিকে অপরিকল্পিতভাবে উপকরণ ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায় এবং খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
এছাড়াও তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নের পর বিভাগের ভিত্তিতে খামারিদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব সভায় তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা, প্রতিবন্ধকতা এবং করণীয় বিষয়ে সরাসরি মতামত নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বাস্তবসম্মত নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা সহজ হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এই খাতের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে।
এই সময় চলাকালীন, প্রতিমন্ত্রী খামারিদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত তালিকা প্রস্তুতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন এবং এ বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন