প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে সম্প্রতি অতিবৃষ্টির পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধসের কারণে এখন পর্যন্ত ৫৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬ লাখেরও বেশি।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলো হলো— খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে এসব জেলায় মোট ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও, উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বর্তমানে দেশের মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার বন্যার পানিতে পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ৭টি জেলায় বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দুর্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ৩৯ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
নিহত ও আহতদের জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা যায়, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, সেখানে ৩১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জন রয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষদের জরুরি আশ্রয় দেয়ার জন্য সরকারিভাবে মোট ১ হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেখানে ইতিমধ্যেই ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন