প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের তিনটি দেশে একই দিনে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় সব ঘটনাগুলোর মধ্যে কি কোনো সম্পর্ক রয়েছে, এই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপান, ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় সংঘটিত ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের সরাসরি যোগসূত্র নেই।
জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, একটি ৭ দশমিক ২ ও অপরটি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার। সেই একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতেও ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। পৃথক ও ভিন্ন ভিন্ন স্থানগুলোতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সংঘটিত এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞরা এটিকে স্বাভাবিক ভূতত্ত্বীয় প্রক্রিয়া মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ক্যালটেকের ভূকম্পবিদ ড. লুসি জোন্সের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়। ড. জোন্স বলেন, এসব ভূমিকম্প দ্বারা পৃথক ফল্ট ব্যবস্থা ও প্লেট সীমানায় সংঘটিত হয়েছে। এক ভূমিকম্পের কারণে অন্যটির সৃষ্টি হয়েছে—এমন ধারণার পক্ষে কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরও জানান, হাজার হাজার মাইল দূরে সংঘটিত বড় ভূমিকম্প সাধারণত বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে আরেকটি বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে না। যদিও ঘটনাগুলোর সময়কাল মিলে গেছে, তবুও স্থান ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একেবারেই ভিন্ন।
প্রতিটি ভূমিকম্পই সক্রিয় প্লেট সীমানার বরাবর সংঘটিত হয়েছে যেখানে কয়েক দশক থেকে শতাব্দীব্যাপী ভূতাত্ত্বিক চাপ সঞ্চিত হচ্ছে। এসব অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের ঘটনার জন্য এটি একটি স্বাভাবিক চক্রের অংশ। তবে ঠিক কবে এমন ভূমিকম্প ঘটবে, সে সম্পর্কে নির্ভুল পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টা ৪ মিনিটে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পরই, রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরো একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে যে, এসব ভূমিকম্পের কারণে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য জানায়নি।
সূত্র: সিএনএন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন