প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে (আইএলসি) এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের (এএসপিএজি) মন্ত্রী পর্যায়ের সভায় অসামান্য ভূমিকা পালন করেছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আজ ৯ জুন জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে স্বাগত বক্তব্যে শ্রমমন্ত্রী এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈচিত্র্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, সকলের জন্য শোভন কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বর্তমানে এই অঞ্চল বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি, অনানুষ্ঠানিক খাত এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মতো দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন কর্মজগতে নতুন সুযোগ তৈরি করছে, তবে এতে কর্মসংস্থানচ্যুতি ও দক্ষতার অমিল নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তিকে বাধা না দিয়ে বরং শ্রমিকদের ডিজিটাল সাক্ষরতা, আজীবন শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, কোনো দেশের পক্ষেই এককভাবে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এজন্য অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সর্বোত্তম চর্চার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বৈশ্বিক স্তরে আইএলওকে আরও গণতান্ত্রিক ও দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
তিনি আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে একটি টেকসই, সহনশীল এবং সবার জন্য কল্যাণকর বিশ্ব গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাটি পরিচালনা করেন সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান। সভায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার। সভায় এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫টি দেশের শ্রমমন্ত্রী এবং ডেলিগেট প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন