প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক আদালতের রায়কে ১৪টি দেশ সমর্থন জানিয়েছে। তবে, চীন এই সমর্থনকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে। বেইজিংয়ের দাবি হলো, ওই রায়টি সম্পূর্ণ বেআইনি, এবং তারা তা মানতে বাধ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য সহ ১৪টি দেশ সম্প্রতি একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। তারা ২০১৬ সালের রায়টি ‘চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিভিন্ন দেশগুলোর মতে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বিশাল সামুদ্রিক দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
রবিবার, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটার কড়া সমালোচনা করেছে। বেইজিং জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে এটি মানানসই। আন্তর্জাতিক আদালত যে রায় দিয়েছিল, সেটি বাতিল ও ভিত্তিহীন দাবি করে বেইজিং বলে, তারা কখনোই এই রায় মানবে না।
যৌথ বিবৃতিতে অন্যান্য দেশের বৈধ কার্যক্রমে চীনের কোস্টগার্ড, সামরিক ও মিলিশিয়া বাহিনীর বাধা দেওয়ার তীব্র দর্শন বিরোধিতা করা হয়েছে। জবাবে চীন বিশেষ করে বিবৃতিতে জাপানের অন্তর্ভুক্তির সমালোচনা করেছে। চীনের মতে, এই সাগরের বিষয়ে মন্তব্য করার বা বিচার করার কোনো অধিকার জাপানের নেই।
দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত নৌপথ। এটি নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলমান রয়েছে। নতুন এই বিবৃতির ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও স্পষ্ট হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন