প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী ও সাসেক্সের ডিউচেস মেগান মার্কেল তাঁর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বাবা থমাস মার্কেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। মেগান জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে তাঁর বাবার বিরুদ্ধে একটি 'উদ্বেগজনক অভিযোগের' চিঠি যুক্তরাজ্যের মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছিল, যা পরে তাঁর কাছে হস্তান্তরিত হয়।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গ্যাবলয়েড 'দ্য সান'-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, থমাস মার্কেলের সাবেক বাসভবন ফিলিপাইনে শিশু যৌন নিপীড়নের কিছু ছবি ও কনটেন্ট পাওয়া গেছে। মেগানের সৎ ভাই, থমাস মার্কেল জুনিয়র 'দ্য সান'-কে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর বাবার ফিলিপাইনের বাড়িতে এই আপত্তিকর ছবিগুলো আবিষ্কার করেন এবং পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে দেন। বর্তমানে ৮২ বছর বয়সী থমাস মার্কেল যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তিনি এসব অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন।
মেগান মার্কেল এক বিবৃতিতে গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "গত ২৪ ঘণ্টায় যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তাতে আমি ভীষণভাবে মর্মাহত। যেসব শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত, আমার সমবেদনা তাদের সঙ্গে রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালে যখন তিনি এ সংক্রান্ত চিঠি পান, তখন তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে।
নিজের সন্তানদের কেন নানা (থমাস মার্কেল) থেকে দূরে রেখেছেন, সে সম্পর্কে মেগান বলেন, "আমার সন্তানদের সুরক্ষার জন্যই আমি বাবার কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছি এবং তাঁদেরকে বাবার স্পর্শে আসতে দেইনি। আমি বিশ্বাস করেছিলাম যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্যান্য শিশুদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।"
ফিলিপাইন পুলিশের তদন্ত শুরু:
ফিলিপাইনের বিচার বিভাগের আন্ডারসেক্রেটারি নিকোলাস টাই বিবিসি-কে নিশ্চিত করেছেন যে, সেবুর অ্যান্টি-হিউম্যান ট্রাফ্যাকিং অ্যান্ড চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন টাস্কফোর্স বিষয়টি তদন্ত করছে। অন্যদিকে, ফিলিপাইনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনভিক রেমুলা জানিয়েছেন, জাতীয় পুলিশ ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য থমাস মার্কেলের কম্পিউটারটি জব্দ করেছে এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত ফরেনসিক ফলাফল জানা যাবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে বিয়ের পরপরই রাজপরিবারের পক্ষ থেকে মেগানকে এই অভিযোগের কথা জানানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্রের মতে, ভবিষ্যৎ তদন্তে বাধা না সৃষ্টি করতে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে এতদিন মেগান প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খোলেননি। সূত্র: বিবিসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন